দেশি মুরগি খাওয়ার উপকারিতা
- উচ্চ মানের প্রোটিন: দেশি মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা শরীরের পেশী গঠন ও মেরামতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন আমাদের দেহের টিস্যু তৈরি করতে এবং এনজাইম ও হরমোন তৈরিতেও সাহায্য করে।
- স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: পোল্ট্রি মুরগির তুলনায় দেশি মুরগিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে, যা হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। এই ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের শরীরে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।
- হাড়ের স্বাস্থ্য: দেশি মুরগির মাংসে ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম থাকে, যা আমাদের হাড়কে মজবুত রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এটি খেলে হাড়ের ক্ষয় রোধ করা যায়, যা বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য উপকারী।
- হজমশক্তি উন্নত করে: দেশি মুরগির মাংস সহজে হজম হয় এবং এটি হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। তাই যাদের হজমের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
- ভিটামিন ও মিনারেল: দেশি মুরগিতে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল যেমন ভিটামিন B12, ভিটামিন A, ভিটামিন E, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, নিয়াসিন, এবং জিঙ্ক পাওয়া যায়। এই পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। ভিটামিন B12: এটি মস্তিষ্কের কোষকে ভালো রাখে এবং রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে। নিয়াসিন (ভিটামিন B3): এটি হজম, স্নায়ুতন্ত্র এবং ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- মন ভালো রাখে: দেশি মুরগির মাংসে ট্রাইফটোফ্যান নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীরে সেরোটোনিন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে। সেরোটোনিন আমাদের মন ভালো রাখতে এবং বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে।
দেশি মুরগির মাংসের অনেক উপকারিতা আছে। পোল্ট্রি মুরগির তুলনায় দেশি মুরগি স্বাস্থ্যকর বলে ধরা হয়, কারণ দেশি মুরগিকে কোনো ধরনের কৃত্রিম খাবার বা হরমোন দেওয়া হয় না। এরা প্রাকৃতিকভাবেই বেড়ে ওঠে।
কুরিয়ার ডেলিভারি পলিসি:
ঢাকার বাহিরে ডেলিভারি পলিসি: ঢাকা ব্যতিত যেখানে সরোবর-আসল ফুডের নিজস্ব হোম ডেলিভারি চালু নেই, সেখানে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা হয়। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত শর্তগুলো প্রযোজ্য হবে-
১। স্টেডফাস্ট/পাঠাও কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশের যেকোন জায়গায় হোম ডেলিভারি করা হবে। পার্সেলের ওজন ২ কেজি পর্যন্ত কুরিয়ার চার্জ ১৬০ টাকা, এর পরবর্তী প্রতি ১ কেজি ওজনের জন্য ২০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য। সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) প্রযোজ্য। তবে, সেক্ষেত্রে কুরিয়ার চার্জ বাবদ ন্যূনতম ১৬০ টাকা অগ্রীম পরিশোধ করতে হবে। পার্সেল বুকিং এর পর পৌঁছাতে ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে। এ কারণে কোন পচনশীল পণ্য পাঠানো সম্ভব হবেনা।
২। অন্যান্য কুরিয়ার স্টেডফাস্ট ছাড়াও আমরা অন্যান্য কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য বুকিং করি। তবে এক্ষেত্রে হোম ডেলিভারি সুবিধা এবং থানা পর্যায়ে ডেলিভারি সুবিধা নেই। অন্যান্য শর্তগুলো হলো- কুরিয়ার চার্জ সহ পণ্যের সম্পূর্ণ দাম পূর্বেই বিকাশ বা নগদ বা কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। সর্বনিম্ন চার্জ ১৬০ টাকা। পণ্যের পরিমাণ বেশি হলে কুরিয়ার চার্জ বাড়বে। প্রডাক্ট শুধুমাত্র জেলা পর্যায়ে (ব্রাঞ্চ অফিস) যাবে। কাঁচের জারের পণ্য ও তরল পণ্য বুকিং করা যাবেনা। যেকোন পচনশীল পণ্য পাঠানো যাবেনা। পার্সেল বুকিং এর পর পৌঁছাতে ২-৩ দিন সময় লাগতে পারে।
৩। ফ্রোজেন আইটেমঃ ঢাকার মধ্যে ফ্রোজেন আইটেম ডেলিভারি চার্জ ১০০/- ঢাকার বাইরে ফ্রোজেন আইটেম ডেলিভারি করা হয় না। ফ্রোজের আইটেম ও পচনশীল আইটেম আলাদা অর্ডার করতে হবে।
৪। চাল ডেলিভারিঃ সারাদেশে ২৫ কেজি চালের বস্তার হোম ডেলিভারি চার্জ ২৫০ টাকা (বাসার নিচে পর্যন্ত) বিদ্রঃ ফ্রোজেন আইটেম ও শুকনো আইটেম ও ২৫ কেজি চালের বস্তা সম্পূর্ণ আলাদা ডেলিভারি হবে। আলাদা ডেলিভারী চার্জে।


