এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা, এলাচ মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এলাচকে মসলার রানী বলা হয়ে থাকে। , এলাচ গুঁড়া রান্নার স্বাদ আর সুগন্ধ বাড়ানোর জন্য একটি দারুণ উপকরণ। বিরিয়ানি, কোরমা, পোলাও, এবং বিভিন্ন ধরনের মাংসের রান্নায় এলাচ গুঁড়া একটি অপরিহার্য মসলা। এলাচ গুঁড়ার বেশি ব্যবহার হয় মিষ্টি খাবার তৈরিতে। যেমনঃ- পায়েস, সেমাই, পুডিং, ফিরনি, সন্দেশ, লাড্ডু, হালুয়া, দুধ চা, কফি, লাচ্ছি, এবং বিভিন্ন শরবত তৈরিতেও এলাচ গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া কেক, কুকিজ, পিঠা, এবং অন্যান্য বেকিং আইটেমে এলাচ গুঁড়া ব্যবহার করলে এক ভিন্ন ধরনের মিষ্টি গন্ধ যোগ হয়। এলাচ গুঁড়া শুধু খাবারে নয়, স্বাস্থ্য সুরক্ষাতেও খুব উপকারী।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এলাচ গুঁড়ার ব্যবহারঃ
- হজমে সহায়ক: এলাচ গুঁড়া হজমশক্তি বাড়াতে খুব কার্যকর। এটি গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালাপোড়া এবং বদহজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। খাওয়ার পর এক চিমটি এলাচ গুঁড়া খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।
- মুখের স্বাস্থ্য: এলাচের প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং মুখের ভেতরের অংশের অর্থাৎ মাড়ি ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায়: সর্দি, কাশি, ফুসফুসের সংক্রমণ এবং শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যায় এলাচ উপকারী। গরম চা বা জলে এলাচ গুঁড়া মিশিয়ে খেলে কফ দূর হয় এবং আরাম পাওয়া যায়।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এলাচে থাকা পটাশিয়াম রক্তনালীকে শিথিল করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এলাচ খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।
- মানসিক স্বস্তি: এলাচের সুগন্ধ মনকে শান্ত করে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এলাচ চা পান করলে মাথা ব্যথাও দূর হতে পারে।
কেন আমাদের এলাচ গুঁড়া সেরা?
• বাছাইকৃত খাঁটি মানের এলাচ থেকে তৈরি।
• গুঁড়ো করার ঝামেলা নেই রান্নায় আনবে পারফেক্ট স্বাদ, সুগন্ধ ও তৃপ্তি।
• অনেকদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং শতভাগ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ।
এলাচ গুঁড়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন। যেমন, খোলা প্যাকেটে না রেখে এয়ারটাইট পাত্রে রাখলে এর সুগন্ধ অনেক দিন পর্যন্ত বজায় থাকে। এছাড়া, রান্নার শেষে বা পরিবেশনের আগে এলাচ গুঁড়া ব্যবহার করলে এর সুগন্ধ সবচেয়ে বেশি ভালো থাকে।

