লাল চিড়া আমাদের গ্রাম-বাংলার বেশ পরিচিত এবং অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। সাদা চিড়ার চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন লাল চিড়া। এটি হালকা খাবার হিসেবে দারুণ তবে লাল চিড়া বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়, যেমনঃ গরমের দিনে দই, লাল চিড়া, কলা এবং গুড় বা চিনি মিশিয়ে তৈরি করা হয় দই-চিড়া। সকালের নাস্তা বা হালকা খাবার হিসেবে দুধ, লাল চিড়া এবং চিনি বা গুড় মিশিয়ে খাওয়া যায়। দুধ ও অন্যান্য উপকরণের সাথে চিড়া মিশিয়ে সুস্বাদু পায়েস বা ডেজার্ট তৈরি করা যায়। তাছাড়া অল্প তেলে চিড়া ভেজে হালকা লবণ বা মসলা মিশিয়ে স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যায়।
লাল চিড়া (Lal chira) এর উপকারিতাঃ
- লাল চিড়া খুব সহজে হজম হয়, তাই ডায়রিয়া বা পেটের অন্য কোনো সমস্যায় এটি খাওয়া যেতে পারে।
- লাল চিড়া তে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগীদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প।
- লাল চিড়ায় প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি দেয়।
- কম কোলেস্টেরল যুক্ত একটি খাবার হলো লাল চিড়া, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
- গর্ভাবস্থায় বমিভাব কমাতে লাল চিড়া সাহায্য করে।
আমাদের লাল চিড়ার বিশেষত্বঃ
- গ্রাম পর্যায় থেকে লাল চাল সংগ্রহ এবং লাল আমন ধান থেকে তৈরি ফাইবার সমৃদ্ধ লাল চিড়া।
- আমাদের লাল চিড়া-তে কোনরূপ কৃত্রিম রঙ, রাসায়নিক বা প্রিজারভেটিভ মেশানো নেই। যার বলে এর রঙ, গন্ধ ও স্বাদ একদম প্রকৃতিক।
- প্রক্রিয়াজাত নিজস্ব ভাবে সম্পূর্ণ হওয়ায় লাল চিড়া ধুলা-বালি, কণা ও ময়লা মুক্ত তাই এটি শতভাগ বিশুদ্ধ।
- এতে ময়েশ্চার কম থাকে ফলে লাল চিড়া ভেতরে ফাঁকা থাকে না এবং পরিমাণে বেশি থাকে।

